উত্তরবঙ্গের মেখলিগঞ্জ-এ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে না পৌঁছানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা পুরসভা চত্বরে বিক্ষোভ দেখান এবং পরিস্থিতি একসময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনী-কে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, যাকে অনেকেই ‘ডিম থেরাপি’ বলে উল্লেখ করছেন।
কী নিয়ে ক্ষোভ?
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। বহুবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পরও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা পুরসভায় বিক্ষোভে সামিল হন।
কী ঘটেছে পুরসভায়?
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ চেয়ারম্যানের দিকে ডিম নিক্ষেপ করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরসভা চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‘ডিম থেরাপি’ কেন আলোচনায়?
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিভিন্ন নেতা, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে ডিম নিক্ষেপের ঘটনা বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলে একে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘ডিম থেরাপি’ বলা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি জনঅসন্তোষ ও ক্ষোভের প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে বলে সূত্রের খব
উপসংহার
মেখলিগঞ্জের এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিল যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো না পৌঁছালে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ কতটা তীব্র হতে পারে। তবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে কোনো প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত হওয়াই কাম্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Post a Comment