গ্রাম বাংলা রিপোর্ট। আজ ১৭ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার
ওড়িশার পুরী ধামকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ রথযাত্রা। পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা গ্রাম বাংলায় ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে ধর্মীয় আচার, কীর্তন ও রথ টানার মধ্য দিয়ে উৎসব পালিত হচ্ছে।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব জগন্নাথ রথযাত্রা এ বছরও ভক্তি, উৎসাহ ও ঐতিহ্যের আবহে পালিত হচ্ছে। ওড়িশার পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দির থেকে ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার সুসজ্জিত তিনটি রথ নির্ধারিত আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। লক্ষাধিক ভক্ত রথের দড়ি টেনে আশীর্বাদ লাভের উদ্দেশ্যে অংশ নেন।
পশ্চিমবঙ্গেও হুগলির মাহেশ, মায়াপুর, কলকাতা এবং বিভিন্ন জেলার গ্রামাঞ্চলে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ পূজা, নামসংকীর্তন, শোভাযাত্রা ও প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছিল। বহু স্থানে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসা শিবিরের ব্যবস্থাও করা হয়ে ছিল।
রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ভারতীয় সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে এই উৎসব শুরু হয় এবং পরবর্তী কয়েক দিনের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
প্রেক্ষাপট
পুরীর রথযাত্রা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। একই সঙ্গে বাংলার ঐতিহাসিক মাহেশ রথযাত্রাও বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এবং এতে গ্রাম বাংলা মানুষ অংশ নিয়েও আনন্দ উপভোগ করে।
গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব
বিভিন্ন শহরে ভক্তদের ব্যাপক সমাগমে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পর্যটন, হোটেল, পরিবহন ও স্থানীয় ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
ভক্তদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গ্রাম বাংলা রিপোর্ট নিউজ ডেস্ক।

Post a Comment