content='width=device-width, initial-scale=1, minimum-scale=1, maximum-scale=1' name='viewport'/> পশ্চিমবঙ্গে কলেজের ছাত্রীদের এককালীন ৫০,০০০ টাকার নতুন প্রকল্প এবং 'কৃষক বন্ধু' স্কিমের অনলাইন আবেদন পদ্ধতি ২০২৬

Top News

পশ্চিমবঙ্গে কলেজের ছাত্রীদের এককালীন ৫০,০০০ টাকার নতুন প্রকল্প এবং 'কৃষক বন্ধু' স্কিমের অনলাইন আবেদন পদ্ধতি ২০২৬

 ২০২৬ সালের রাজ্য বাজেটের মেগা ঘোষণার পর, উচ্চশিক্ষারত ছাত্রী এবং কৃষকদের জন্য অনলাইন আবেদনের পোর্টাল ও নির্দেশিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নিচে এই দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কল্যাণমুখী প্রকল্পের অনলাইন আবেদন পদ্ধতি ধাপে ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

​১. কলেজের ছাত্রীদের এককালীন ৫০,০০০ টাকা পাওয়ার নতুন প্রকল্প (আবেদন পদ্ধতি)

​মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক পাস করার পর যে সমস্ত ছাত্রী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যেকোনো সরকারি বা সরকার-পোষিত কলেজে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট (UG/Degree) কোর্সে ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা এই এককালীন ৫০,০০০ টাকার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

​প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Required Documents):

​আধার কার্ড (Aadhaar Card)

​উচ্চ-মাধ্যমিক (Class 12) পাসের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট

​বর্তমান কলেজের ভর্তির রসিদ (Admission Receipt) ও আইডি কার্ড

​অবিবাহিত থাকার স্বঘোষিত শংসাপত্র (Unmarried Declaration Form)

​ছাত্রীর নিজস্ব আধার-লিঙ্কড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাসবইয়ের প্রথম পাতা

​পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি ও ডিজিটাল স্বাক্ষর

​ধাপে ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া:

1

অফিসিয়াল পোর্টালে ভিজিট

ধাপ ১

উচ্চশিক্ষা দপ্তরের নির্দিষ্ট স্কলারশিপ পোর্টাল (যেমন: wbmdfc.org বা wbhed.gov.in-এর অন্তর্গত স্কিম ট্যাব) ওপেন করুন এবং "Apply for College Girls Incentive Scheme 2026" লিঙ্কে ক্লিক করুন।

2

রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন

ধাপ ২

আপনার মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি এবং উচ্চ-মাধ্যমিকের রোল নম্বর দিয়ে 'New Registration' সম্পন্ন করুন। আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি (OTP) আসবে, সেটি দিয়ে ভেরিফাই করলেই ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি হয়ে যাবে।

3

আবেদনপত্র পূরণ

ধাপ ৩

ইউজার আইডি দিয়ে লগ-ইন করুন। এরপর আপনার ব্যক্তিগত বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আপনি যে কলেজে ভর্তি হয়েছেন তার নাম, কোর্স ও রোল নম্বর নির্ভুলভাবে ফর্মটিতে টাইপ করুন।

4

নথিপত্র আপলোড

ধাপ ৪

আপনার আধার কার্ড, কলেজের ভর্তির রসিদ, মার্কশিট এবং ব্যাংক পাসবইয়ের পরিষ্কার স্ক্যান কপি (সাধারণত PDF বা JPEG ফরম্যাটে, নির্দিষ্ট সাইজের মধ্যে) আপলোড করুন।

5

ব্যাংক ডিটেইলস ও সাবমিশন

ধাপ ৫

আপনার ব্যাংকের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং IFSC কোড পুনরায় মিলিয়ে নিন, কারণ এই অ্যাকাউন্টেও সরাসরি (DBT) ৫০,০০০ টাকা পাঠানো হবে। সবশেষে ফর্মটি 'Final Submit' করুন এবং জেনারেট হওয়া অ্যাপ্লিকেশন রসিদটি প্রিন্ট করে রাখুন।

২. পশ্চিমবঙ্গ 'কৃষক বন্ধু' (Krishak Bandhu) প্রকল্প ২০২৬ (আবেদন পদ্ধতি)

​কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের কৃষকেরা প্রতি একর জমির জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা (দুটি কিস্তিতে, খরিফ ও রবি মরসুমে) সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পান।

​প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Required Documents):

​আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড (Mandatory)

​জমির সাম্প্রতিক পরচা বা খতিয়ান (RoR) বা পাট্টা দলিল

​কৃষকের নিজস্ব ব্যাংক পাসবই বা ক্যানসেলড চেক (Cancelled Cheque)

​মোবাইল নম্বর (যা আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করা রয়েছে)

​বর্গাদারদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত বর্গার নথি বা স্বঘোষিত শংসাপত্র

​ধাপে ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া:


1

কৃষক বন্ধু পোর্টালে প্রবেশ

ধাপ ১

প্রথমে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট krishakbandhu.wb.gov.in ভিজিট করুন।

2

কৃষক সাইন-ইন বা নিউ রেজিস্ট্রেশন

ধাপ ২

হোমপেজে থাকা "Krishak Bandhu Sign-In" অপশনে ক্লিক করুন। আপনি যদি নতুন ব্যবহারকারী হন, তবে "New Registration" ট্যাবে গিয়ে আপনার ভোটার আইডি (Voter ID) এবং আধার নম্বর দিয়ে উইন্ডোটি ওপেন করুন।

3

কৃষি তথ্য ও ব্যক্তিগত বিবরণ পূরণ

ধাপ ৩

আবেদন ফর্মে কৃষকের নাম (ভোটার কার্ড অনুযায়ী), বয়স, লিঙ্গ, মোবাইল নম্বর এবং সম্পূর্ণ ঠিকানা পূরণ করুন। এরপর কৃষি সংক্রান্ত তথ্য বিভাগে আপনার জেলার নাম, ব্লক, মৌজা, জেএল নম্বর (JL No) এবং মোট জমির পরিমাণ (একর এককে) সঠিকভাবে উল্লেখ করুন।

4

জমির পরচা ও নথি আপলোড

ধাপ ৪

আপনার জমির সাম্প্রতিক খতিয়ান বা পরচা এবং ভোটার কার্ডের স্ক্যান কপি নির্দিষ্ট সাইজের মধ্যে আপলোড করুন। এর সাথে আপনার আধার-লিঙ্কড ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (Account No, IFSC, Bank Name) এন্ট্রি করুন।

59

ওটিপি ভেরিফিকেশন ও জমা

ধাপ ৫

আধার লিঙ্কড মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি (OTP) দিয়ে ফর্মটি ভেরিফাই করুন। নিয়ম ও শর্তাবলীতে টিক মার্ক দিয়ে ফর্মটি ফাইনাল সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর প্রাপ্ত 'Acknowledgment' স্লিপটি ডাউনলোড করে নিজের কাছে রেখে দিন।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: অনলাইন আবেদনের পর জেনারেট হওয়া অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের প্রিন্ট আউট এবং সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আপনার ব্লকের 'কৃষি আধিকারিক' (Krishi Adhikarik - ADA) অফিস অথবা আপনার এলাকায় আয়োজিত 'দুয়ারে সরকার' (Duare Sarkar) ক্যাম্পে গিয়ে ভেরিফিকেশনের জন্য হার্ড কপি জমা দিলে অনুমোদন প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত সম্পন্ন হয়।


Post a Comment

Previous Post Next Post
Gram Bangla Report
Gram Bangla Report

🎧 LIVE FM RADIO




🔊 Volume