নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থল Jantar Mantar-এ চলমান Cockroach Janta Party (CJP)-এর আন্দোলনে যোগ দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন Mahua Moitra। আন্দোলনকারীরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস এবং ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে কেন্দ্র সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছেন।
কী নিয়ে এই বিক্ষোভ?
CJP-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে এই আন্দোলনের মূল দাবি হল—
বিভিন্ন সর্বভারতীয় পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত।
শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার।
মহুয়া মৈত্রের বার্তা
বিক্ষোভে উপস্থিত হয়ে মহুয়া মৈত্র কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, "শিশুদের রক্ত দিয়ে জন্মদিনের কেক তৈরি হতে পারে না"। তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন যে দেশের ছাত্র-যুবকদের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করা উচিত নয় এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটের সমাধান জরুরি।
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না, কারণ দেশের তরুণ প্রজন্মের ক্ষোভ ও হতাশাই আজকের এই প্রতিবাদের প্রধান শক্তি।
আন্দোলনের নতুন মোড়
বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, সামাজিক কর্মী এবং বিশিষ্ট পরিবেশবিদ Sonam Wangchuk। জানা গেছে, তিনি অনশনেও বসেছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার খবর সামনে এসেছে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই আন্দোলনকে ঘিরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কিছু বিরোধী দল CJP-কে সমর্থন জানালেও, অন্য কয়েকটি দল আন্দোলন থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে।
কেন জাতীয় শিরোনামে CJP?
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জনের পর CJP এখন বাস্তব রাজনৈতিক প্রতিবাদের ক্ষেত্রেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আন্দোলন দেশের যুবসমাজের ক্ষোভ, বেকারত্বের উদ্বেগ এবং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষের প্রতিফলন।
গ্রাম বাংলা রিপোর্টের বিশেষ মন্তব্য
দিল্লির যন্তর-মন্তরের এই আন্দোলন শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভ নয়; এটি দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্র-যুবকের ভবিষ্যৎ, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের দাবিকে সামনে এনে দিয়েছে। আগামী দিনে এই আন্দোলন জাতীয় রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলবে কিনা, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Post a Comment