কলকাতা | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়াদের জন্য বিনামূল্যে সাইকেল দেওয়ার প্রকল্প ‘সবুজ সাথী’ নতুন নামে ‘সারথী’ হিসেবে চালু হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর হাওড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পর্যায়ের সাইকেল বিতরণ শুরু হয়। সরকারের ঘোষণামতে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ১২.৫৯ লক্ষ পড়ুয়াকে সাইকেল দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং প্রকল্পের জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে।
তবে যোগ্যতা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট রয়েছে। চলতি AY 2026-এর Phase-XII SOP-তে নবম শ্রেণির যোগ্য পড়ুয়াদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্রিয়া চালানোর কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে ২৯ সেপ্টেম্বরের উদ্বোধনী ঘোষণায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণি থেকেই সাইকেল দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফলে বর্তমান ও আগামী শিক্ষাবর্ষের নিয়ম আলাদা করে দেখা জরুরি।
🟢 ১. সারথী প্রকল্প আসলে কী?
‘সারথী’ হল স্কুলপড়ুয়াদের বিনামূল্যে সাইকেল দেওয়ার কর্মসূচি, যা পূর্ববর্তী ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের নতুন নাম ও নতুন পর্যায় হিসেবে চালু হয়েছে।
পূর্ববর্তী সরকারি ব্যবস্থায় সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল এবং মাদ্রাসার নির্দিষ্ট শ্রেণির পড়ুয়াদের সাইকেল দেওয়া হত। সরকারি শিক্ষা-তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের সাইকেল বিতরণের উদ্দেশ্যের মধ্যে ছিল স্কুলে উপস্থিতি ও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ বাড়ানো এবং দূরের স্কুলে যাতায়াত সহজ করা।
🟢 ২. চলতি ২০২৬ পর্যায়ে কারা সাইকেল পাবেন?
এখানেই সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
AY 2026 / Phase-XII-এর ক্ষেত্রে
প্রকাশিত Phase-XII SOP অনুযায়ী:
- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির পড়ুয়া;
- সরকারি স্কুল;
- সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল;
- সংশ্লিষ্ট স্বীকৃত মাদ্রাসার যোগ্য পড়ুয়া;
এই পর্যায়ের তথ্য প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
যোগ্য স্কুলের পড়ুয়াদের তথ্য Banglar Shiksha Portal থেকে সংশ্লিষ্ট সাইকেল-বিতরণ ব্যবস্থায় নেওয়ার কথা SOP-তে বলা হয়েছে।
কিন্তু নতুন ঘোষণা কী?
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয়েছে যে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ওঠা পড়ুয়াদেরও সারথী প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
অর্থাৎ:
চলতি Phase-XII-এর পুরনো SOP = নবম শ্রেণি
নতুন ঘোষিত সম্প্রসারণ = আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণি
এই পার্থক্যটি অভিভাবকদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
🟢 ৩. আমার স্কুলে নাম আছে কি না কীভাবে জানব?
এটি জানার সবচেয়ে সহজ এবং নিরাপদ উপায় হল নিজের স্কুলের প্রধান শিক্ষক/ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করা।
Phase-XII-এর প্রক্রিয়া অনুযায়ী যোগ্য পড়ুয়াদের তথ্য স্কুলের মাধ্যমে যাচাই ও আপলোড করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে পড়ুয়ার নিজের আলাদা করে অনলাইনে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
অভিভাবক বা পড়ুয়া যা করবেন:
ধাপ ১: নিজের স্কুলে যোগাযোগ করুন।
ধাপ ২: প্রধান শিক্ষক/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে বলুন—
“সারথী প্রকল্প ২০২৬-এর তালিকায় আমার/আমার সন্তানের নাম আছে কি না জানতে চাই।”
ধাপ ৩: স্কুলের রেকর্ডে নাম, বাবার/মায়ের নাম, জন্মতারিখ, শ্রেণি ও অন্যান্য তথ্য ঠিক আছে কি না যাচাই করুন।
ধাপ ৪: নাম না থাকলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি যাচাই করতে বলুন।
ধাপ ৫: প্রয়োজন হলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালে নতুন এন্ট্রি/সংশোধনের প্রক্রিয়া করবে।
প্রকাশিত SOP অনুযায়ী, কোনও যোগ্য পড়ুয়ার তথ্য না থাকলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নতুন এন্ট্রি করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
🟢 ৪. পড়ুয়াকে কি নিজে অনলাইনে আবেদন করতে হবে?
প্রকাশিত Phase-XII প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সাধারণভাবে পড়ুয়াকে নিজের মোবাইল থেকে সরাসরি আবেদন করার কথা নয়।
স্কুল কর্তৃপক্ষই যোগ্য পড়ুয়াদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা ও প্রশাসনিক স্তরে তথ্য যাচাই ও বিতরণের প্রস্তুতি হয়।
তাই কোনও ব্যক্তি যদি বলে—
“সারথী সাইকেল পেতে আগে আমাকে টাকা পাঠান”
অথবা
“OTP দিন, আমি আপনার নাম তুলে দেব”
তাহলে সতর্ক থাকুন।
সরকারি সুবিধার নামে ব্যক্তিগত UPI, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা OTP চাওয়া হলে আগে স্কুল বা সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের সঙ্গে যাচাই করুন।
🟢 ৫. স্কুলে নাম নেই—তাহলে কি সাইকেল পাব না?
এমন সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া ঠিক হবে না।
যদি একজন পড়ুয়া যোগ্য হন কিন্তু স্কুলের তালিকায় নাম না থাকে, তাহলে প্রথম কাজ হল স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা।
প্রকাশিত SOP অনুযায়ী, যোগ্য পড়ুয়ার তথ্য না পাওয়া গেলে নতুন করে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে। এরপর তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের মধ্যে যায়।
তাই অভিভাবকের করণীয়:
নাম নেই → স্কুলে জানান → তথ্য যাচাই → প্রয়োজন হলে নতুন এন্ট্রি/সংশোধন → কর্তৃপক্ষের validation → বিতরণের অপেক্ষা।
🟢 ৬. সাইকেল কোথা থেকে দেওয়া হবে?
বিতরণ প্রক্রিয়াটি সরাসরি প্রতিটি পড়ুয়ার বাড়িতে গিয়ে করার বদলে স্কুল, ব্লক/পুরসভা ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়।
পুরনো ও চলতি প্রক্রিয়ার SOP-তে ব্লক পর্যায়ে delivery point তৈরি এবং স্কুলগুলিকে সেই delivery point-এর সঙ্গে যুক্ত করার কথা রয়েছে।
এরপর নির্দিষ্ট পর্যায়ে স্কুলের মাধ্যমে পড়ুয়াদের মধ্যে সাইকেল বিতরণ করা হয়।
🟢 ৭. জেলা অনুযায়ী সারথী প্রকল্পের বিতরণ আপডেট
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলা থেকে বিতরণের খবর এসেছে।
🟠 মালদা
মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাউন হলে সারথী প্রকল্পের বিতরণ শুরু হয়েছে বলে Ei Samay-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলায় মোট প্রায় ৮১ হাজার পড়ুয়াকে সাইকেল দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং প্রথম পর্যায়ে ৮,৭৫০ জন পড়ুয়ার হাতে সাইকেল দেওয়া হয়।
🟠 কোচবিহার
কোচবিহারেও ২৯ সেপ্টেম্বর সারথী প্রকল্পের বিতরণ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গ সংবাদের প্রতিবেদনে জেলা প্রশাসনের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, জেলায় প্রায় ৪৬ হাজার যোগ্য পড়ুয়াকে সাইকেল দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
🟠 জলপাইগুড়ি
রাজগঞ্জে ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতীকীভাবে নবম শ্রেণির কয়েকজন পড়ুয়ার হাতে সাইকেল তুলে দিয়ে বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বাকি যোগ্য পড়ুয়াদের পর্যায়ক্রমে সাইকেল দেওয়া হবে।
🟠 রাজ্যব্যাপী প্রথম পর্যায়
একটি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যজুড়ে প্রথম পর্যায়ে আনুমানিক ২.১০ লক্ষ সাইকেল বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। তবে উপনির্বাচন চলা মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব মেদিনীপুরকে সেই প্রথম পর্যায়ের বাইরে রাখার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা-ভিত্তিক চূড়ান্ত সংখ্যা অবশ্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন/স্কুলের তালিকা থেকেই যাচাই করা উচিত।
🟢 ৮. সারথী প্রকল্পে সাইকেলের মান নিয়ে কী পরিবর্তন?
নতুন সারথী সাইকেলের ক্ষেত্রে গুণমান ও নিরাপত্তা পরীক্ষার উপর জোর দেওয়ার কথা সরকার জানিয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বরের ঘোষণায় সাইকেলের tyre, light এবং road-safety সংক্রান্ত গুণমান পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে।
তবে নতুন সাইকেলের নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত specification সম্পর্কে অভিভাবকদের নিজস্ব স্কুল বা সরকারি নির্দেশিকা থেকেই নিশ্চিত হওয়া উচিত।
🟢 ৯. সাইকেল পেতে টাকা দিতে হবে?
সরকারি বিনামূল্যের সুবিধা হিসেবে সাইকেল দেওয়া হলে পড়ুয়া বা অভিভাবকের কাছ থেকে সাইকেলের দাম নেওয়ার কথা নয়।
তাই কেউ যদি বলে—
- সাইকেল পেতে ₹500/₹1,000 দিতে হবে,
- আগে UPI payment করতে হবে,
- OTP দিতে হবে,
- ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে হবে,
তাহলে আগে স্কুল বা প্রশাসনের কাছে যাচাই করুন।
সরকারি প্রকল্পের নামে প্রতারণা থেকে সাবধান থাকা অত্যন্ত জরুরি।
🟢 ১০. সারথী প্রকল্পের তথ্য কোথায় যাচাই করবেন?
প্রথম ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জায়গা হল:
🏫 নিজের স্কুল
প্রধান শিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করুন।
🏢 ব্লক/পুরসভা প্রশাসন
স্কুলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য না পেলে সংশ্লিষ্ট ব্লক বা পুরসভা পর্যায়ে খোঁজ নেওয়া যায়।
🏛️ জেলা প্রশাসন
জেলা অনুযায়ী বিতরণ সূচি ও প্রশাসনিক আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সরকারি ওয়েবসাইট/অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো “সারথী তালিকা”, “নাম উঠেছে কি না”, “অনলাইন আবেদন” ইত্যাদি পোস্ট দেখে সরাসরি টাকা বা ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।
📋 সারথী প্রকল্প ২০২৬ — এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রকল্প | সারথী |
| পূর্ববর্তী নাম | সবুজ সাথী |
| ২০২৬-২৭ লক্ষ্যমাত্রা | প্রায় ১২.৫৯ লক্ষ পড়ুয়া |
| বরাদ্দ | প্রায় ₹৩০০ কোটি |
| চলতি Phase-XII-এর SOP | AY 2026-এর নবম শ্রেণির পড়ুয়া |
| নতুন ঘোষণা | আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণি |
| আবেদন | স্কুল-কেন্দ্রিক প্রক্রিয়া |
| নাম যাচাই | স্কুলের মাধ্যমে |
| বিতরণ | পর্যায়ক্রমে |
| জেলা উদাহরণ | মালদা, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি প্রভৃতি জেলায় বিতরণ শুরু |
| টাকা/OTP | কাউকে দেবেন না |
🔍 অনুসন্ধানী প্রশ্ন: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কোথায়?
সারথী প্রকল্পের ক্ষেত্রে এখন অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি নজর রাখা উচিত তিনটি বিষয়ে—
১. তালিকায় নাম
স্কুলের রেকর্ডে যোগ্য পড়ুয়ার নাম রয়েছে কি না।
২. তথ্যের ভুল
নাম, জন্মতারিখ, শ্রেণি বা অন্যান্য তথ্য ভুল থাকলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত জানানো।
৩. বিতরণের তারিখ
জেলায় কর্মসূচি শুরু হলেও প্রত্যেক স্কুলে একই দিনে সাইকেল পৌঁছবে—এমন নয়। পর্যায়ক্রমে বিতরণ হতে পারে। রাজগঞ্জের ক্ষেত্রেও প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতীকী বিতরণের পর অন্য যোগ্য পড়ুয়াদের পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।
⚠️ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভ্রান্তি পরিষ্কার করা দরকার
সারথী প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে নবম শ্রেণি এবং অষ্টম শ্রেণি—দুই ধরনের তথ্য দেখা যাচ্ছে।
এর কারণ, চলতি AY 2026-এর Phase-XII SOP নবম শ্রেণির ভিত্তিতে তৈরি, কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নতুন ঘোষণায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণি থেকে সুবিধা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তাই কোনও অভিভাবক যদি বলেন, “আমার অষ্টম শ্রেণির সন্তান এখনই কেন পেল না?”—তাঁর ক্ষেত্রে চলতি শিক্ষাবর্ষ ও আগামী শিক্ষাবর্ষের নিয়ম আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
📰 গ্রাম বাংলা রিপোর্টের বিশেষ পরামর্শ
সারথী শুধু একটি সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি নয়—দূরের স্কুলে যাতায়াত করা ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি বাস্তবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি সুবিধা।
তবে সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে স্কুলের তালিকা, তথ্য যাচাই এবং জেলা প্রশাসনের বিতরণ সূচিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অভিভাবকদের এখনই করণীয়:
স্কুলে যোগাযোগ করুন → নাম যাচাই করুন → তথ্যের ভুল থাকলে সংশোধনের অনুরোধ করুন → বিতরণের তারিখ জেনে নিন → কোনও দালালকে টাকা/OTP দেবেন না।
গ্রাম বাংলা রিপোর্টের বার্তা:
সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে তথ্য জানুন, নথি যাচাই করুন এবং সরকারি/স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কাজ করুন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অযাচাইকৃত তালিকা বা দাবির উপর নির্ভর করবেন না।
প্রতিবেদনটি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া সরকারি তথ্য ও প্রকাশিত জেলা-ভিত্তিক রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি। নতুন সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে যোগ্যতার নিয়ম বা শ্রেণিভিত্তিক সুবিধায় পরিবর্তন হতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন